১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ২৬শে ভাদ্র, ১৪৩৩

শেরপুরে পাহাড়ি ঢলে মানুষসহ ভেসে গেল ব্রিজ

প্রতিবেদক
নিউজ এডিশন ডেস্ক
জুলাই ২০, ২০২৬ ৯:০৭ অপরাহ্ণ

শেরপুর: ভারী বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার চেল্লাখালী নদীর ওপর নির্মিত একটি স্টিলের ব্রিজ মানুষসহ ভেসে গেছে।

সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরের দিকে উপজেলার নয়াপাড়া দক্ষিণ সন্ন্যাসীভিটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

ওইসময় ব্রিজের ওপর শিশুসহ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা নদী পাড় হচ্ছিলেন। পানির তীব্র স্রোতে ব্রিজের সাথে তারাও ভেসে যান। তবে কিছুদূর পর শিশুসহ সকলেই নিরাপদে তীরে উঠতে সক্ষম হন। স্থানীয় বাসিন্দা হারুন রহমান জানান, পানির তীব্রতার কারণে ব্রিজটি ভেঙে যায়। তবে ব্রিজের ওপর থাকা সকলেই নিরাপদে তীরে উঠেছেন।

শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকালে চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদসীমার ৩২৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও বিকেলে তা ৫৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়াও সোমেশ্বরী ও মহারশি নদীর পানিও বিপদসীমার ওপরে রয়েছে। অন্যদিকে, ভোগাই নদীর পানি নাকুগাঁও পয়েন্টে বিপদসীমার ১৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং নালিতাবাড়ী পয়েন্টে মাত্র ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও পানি বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া সদর উপজেলার পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমার ৩১৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার নাকুগাঁও পয়েন্টে ২৪ মিলিমিটার, নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ২৪ মিলিমিটার এবং শেরপুর পয়েন্টে ২৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। বৃষ্টিপাত কমে গেলে দ্রুত সময়ের মধ্যে পানি নেমে যাওয়ার আশা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

এদিকে পাহাড়ি ঢলের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ঝিনাইগাতী সদর বাজার প্লাবিত হয়েছে। একইসাথে নিম্নাঞ্চলে ক্রমান্বয়ে পানি বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। 

নালিতাবাড়ীর কলসপাড় ইউনিয়নের গোল্লারপাড় এলাকায় শেরপুর-নালিতাবাড়ী সড়কে কয়েকদিন আগের ভাঙা স্থানে জিও ব্যাগ ফেলা হলেও তার পাশেই নতুন করে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে ওই পথে ভারি যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া উপজেলার যোগানিয়া ও কলসপাড় ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ঝিনাইগাতী উপজেলা সদর ও মালিঝিকান্দা ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলও প্লাবিত হয়েছে।

এ ব্যাপারে শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত চৌধুরী সোমবার সন্ধ্যায় জানান, গত ২৪ ঘণ্টার টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলের কারণে জেলার সব নদ-নদীর পানি বেড়েছে। তবে এখন পানি ধীরে ধীরে কমা শুরু হয়েছে। চেল্লাখালী নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আরও বৃষ্টি হলে নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের পরিধি বাড়তে পারে।

শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন পানিবন্দী বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, বন্যা  পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। এছাড়া বন্যার্ত পরিবারের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে চালসহ শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

/টিটি

সর্বশেষ - লাইফস্টাইল

আপনার জন্য নির্বাচিত

নাহিদ-তামিমের নৈপুণ্যে পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ

যারা অন্যায় করেনি, তাদের শাস্তি হতে দেব না: মির্জা ফখরুল

দেশের নাজুক অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ট্যাক্স বাড়াতে হবে: অর্থমন্ত্রী

নালিতাবাড়ীতে ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা আটক, দল থেকে অব্যাহতি

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি নিয়ে ট্রাম্পের গোপন বার্তা ফাঁস

কার্যকর ভূমিকা রাখতে প্রস্তুতি নিন, নারী এমপিদের প্রধানমন্ত্রী

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে ১৫৯৬ পদে নিয়োগ

পাকিস্তান-আফগানিস্তান যুদ্ধে ভারতের প্রভাব কী?

দুই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে মিস ইউনিভার্স নির্বাচিত হলেন মেক্সিকোর ফাতিমা

মুখের কথায় কাজ করা যাবে কম্পিউটার ও ল্যাপটপে