১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ২৮শে ভাদ্র, ১৪৩৩

শেরপুরে বাসে নারী যাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

প্রতিবেদক
নিউজ এডিশন ডেস্ক
মার্চ ২৬, ২০২৬ ২:০২ অপরাহ্ণ

ঢাকা থেকে শেরপুর হয়ে বকশিগঞ্জগামী ‘যমুনা পরিবহন’ নামের একটি বাসে এক নারী যাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বাসের সুপারভাইজার ও হেলপার ৪-৫ জন মিলে এই পাশবিকতা চালায় বলে ভুক্তভোগী নারী অভিযোগ করেছেন। ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা বাসটি আটক করলেও চালক ও সহযোগীরা পালিয়ে গেছে।

বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে বাসটি পুলিশের হেফাজতে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভুঁইয়া।

ভুক্তভোগী নারী জানান, তিনি শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার বাসিন্দা। বুধবার ভোরে গাজীপুর এলাকা থেকে তিনি ৬ বছরের ছেলে ও মামাসহ বকশিগঞ্জের উদ্দেশ্যে বাসটিতে ওঠেন। পথিমধ্যে টাঙ্গাইলে তার মামা নেমে যাওয়ার সময় সুপারভাইজারকে অনুরোধ করেন যেন ভাগনিকে বকশিগঞ্জে নামিয়ে অটোতে তুলে দেওয়া হয়।

তিনি জানান, বাসটি বকশিগঞ্জে পৌঁছালে অটোতে তুলে দেওয়ার নাম করে সুপারভাইজার ‘পাখি’ ওই নারীকে বাসে বসিয়ে রাখে এবং তার শিশু সন্তানকে খাবার কিনে দেওয়ার বাহানায় নিচে নামিয়ে দেয়। এরপর বাসটি দ্রুত স্থানীয় একটি ফিলিং স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বাসের দরজা-জানালা বন্ধ করে দিয়ে ৪-৫ জন মিলে ওই নারীর মুখ ও হাত-পা চেপে ধরে পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

পরবর্তীতে ওই নারী তার পরিবারের সদস্যদের জানালে বিকেলে গাড়িটি বকশিগঞ্জ থেকে আবার ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসার সময় শেরপুর পৌর শহরের আখের মামুদ বাজার এলাকায় আটক করেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গাড়িটি উদ্ধার করে সদর থানায় নিয়ে আসে। এসময় ড্রাইভার ও চালক পালিয়ে যায়।

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভুঁইয়া বলেন, আখের মামুদ বাজারে একটি বাসকে আটক করা হয়েছে এমন তথ্য পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যান। এবং নানাবিধ তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা চলমান রয়েছে।

/কেকে

সর্বশেষ - লাইফস্টাইল