বিশ্বকাপে ব্রাজিল আবারও তাদের সেই পুরোনো ধারা বজায় রেখেছে। আজ নরওয়ের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে সেলেসাওরা।
গত ছয়টি বিশ্বকাপের আসরে এই নিয়ে পঞ্চমবারের মতো নকআউট পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে এসে হার মানতে হলো তাদের।
২০০২ সালে শিরোপা জয়ের পর থেকে ব্রাজিল কেবল ২০১৪ সালেই কোয়ার্টার ফাইনালের বাধা পার হতে পেরেছিল।
সেবার তারা সেমিফাইনালে পৌঁছে চতুর্থ স্থান অর্জন করে। বাকি আসরগুলোতে তারা সব সময়ই প্রায় একই ধাপে মুখ থুবড়ে পড়েছে; ২০০৬ সালে ফ্রান্স, ২০১০ সালে নেদারল্যান্ডস, ২০১৮ সালে বেলজিয়াম এবং ২০২২ সালে ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরে বিদায় নিয়েছিল তারা।
এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো নরওয়ের কাছে পরাজয়ের গ্লানি।
২০২৬ বিশ্বকাপের বড় পার্থক্য ছিল দলের সংখ্যা বৃদ্ধি।
৪৮ দলের এই বিশ্বকাপে নকআউট পর্বে একটি অতিরিক্ত ধাপ যুক্ত করা হয়েছিল, যা ছিল ‘রাউন্ড অফ ৩২’ বা শেষ ৩২। এই ধাপেই জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে পৌঁছেছিল ব্রাজিল।
টুর্নামেন্টের এই নতুন কাঠামোর কারণে পরিসংখ্যানগতভাবে এটি বর্তমান শতাব্দীতে বিশ্বকাপের ইতিহাসে ব্রাজিলের সবচেয়ে শোচনীয় বা বাজে পারফরম্যান্স হিসেবে চিহ্নিত হলো।
এবারের বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের প্রাপ্তি তিনটি জয়, একটি ড্র এবং একটি পরাজয়। টুর্নামেন্ট জুড়ে ১০টি গোল দেওয়ার বিপরীতে তারা হজম করেছে ৪টি গোল।
/টিটি

















