২৮শে জুলাই, ২০২৬ | ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩

শেখ হাসিনার মামলাই ট্রাইব্যুনালে যেকারণে প্রথম

প্রতিবেদক
নিউজ এডিশন ডেস্ক
নভেম্বর ১৭, ২০২৫ ১১:৩৬ অপরাহ্ণ

ঢাকা: ২০১০ সালের ২৫ মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠনের পর মোট ৫৫টি রায় দেওয়া হয়। ওইসব মামলায় সাবেক কোনো প্রধানমন্ত্রী আসামি ছিলেন না, সম্প্রচার করা হয়নি কোনো মামলার বিচার এবং কোনো সাবেক প্রধানমন্ত্রী ‍মৃত্যুদণ্ডেও দণ্ডিত হননি।

তবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সোমবার (১৭ নভেম্বর) দেওয়া রায়ের মাধ্যমে শেখ হাসিনাই বিভিন্ন কারণে ইতিহাসের প্রথম হয়ে থাকবে। সেগুলো হলো, জুলাই অভ্যুত্থানের মামলায় এটি প্রথম রায়। প্রথমবারের মতো মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলেন সাবেক কোনো প্রধানমন্ত্রী। আবার প্রথম বারেরমতো সম্প্রচার করা হয় কোনো মামলার বিচারের রায়।

তবে শুধুমাত্র কিছুদিন আগে আদালত অবমাননার মামলায় এই ট্রাইব্যুনালে ছয় মাসের কারাদণ্ড পেয়েছিলেন শেখ হাসিনা।

২০১০ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য এই ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। পরে ২০১২ সালের ২২ মার্চ আরও একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করে করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। এর মধ্যে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের তিন মেয়াদে ট্রাইব্যুনাল-১ এ ৪৪টি এবং ট্রাইব্যুনাল-২ মোট ১১টি মামলার রায় দেন। সেই সব রায়ে ছয় আসামির দণ্ড কার্যকর করে আওয়ামী লীগ সরকার। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লা ও মুহাম্মদ কামারুজ্জামান এবং দলটির কেন্দ্রীয় নেতা মীর কাসেম আলী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির তৎকালীন সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী।

২০২৪ সালে জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই সময়ে ১৪০০ মানুষকে হত্যা ও ২৫ হাজার মানুষ আহতের অভিযোগ বিচারের জন্য পূর্ণগঠন করা হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আজ সেই ট্রাইব্যুনাল থেকে জুলাই অভ্যুত্থানের ঘটনায় প্রথমবারের মতো রায় দেওয়া হয়। এতে পতিত সরকারের প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকা শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

সোমবার এ রায় দেন চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

রায়ে মামলার অন্যতম আসামি ও পুলিশের সাবেক মহাপরিচালক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে ৫ বছরের দণ্ড দেন। তিনি নিজের দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হয়েছেন।

গত ২৩ অক্টোবর শুনানি শেষে রায়ের তারিখ নির্ধারণের জন্য ১৩ নভেম্বর দিন রাখা হয়। ১৩ নভেম্বর রায় ঘোষণার জন্য ১৭ নভেম্বর দিন ঠিক করা হয়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম।

পলাতক দুই আসামি হাসিনা-কামালের পক্ষে আদালতে শুনানিতে ছিলেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন।

এর আগে গত ১০ জুলাই এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে সাবেক আইজিপি মামুন নিজেকে ‘অ্যাপ্রুভার’ (রাজসাক্ষী) হিসাবে যে আবেদন করেছেন, তা মঞ্জুর করেন ট্রাইব্যুনাল।

/এসএফ

সর্বশেষ - লাইফস্টাইল

আপনার জন্য নির্বাচিত

ভোর থেকেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে মানুষের জোয়ার

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৬৯,২৬৫

অনলাইন রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়াল এনবিআর

জয়-পরাজয় মেনে নেওয়ার আহ্বান সিইসির

সেহরি, ইফতার ও তারাবিতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

এস আলমসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির নির্দেশ

কোথায় বা কখন আটকানো হতে পারে, তা আগেভাগে বলা কঠিন: শহিদুল আলম

নেতাকর্মীদের আরও বেশি দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে: মাহমুদুল হক রুবেল 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তিতে অধ্যাদেশের সিদ্ধান্ত

‘ফলাফলকে স্বীকৃতি দিচ্ছি, আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা’