আসন্ন শেরপুর-৩ আসনের উপ-নির্বাচন ও বগুড়া-৬ আসনের সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচনী অপরাধের তাৎক্ষণিক শাস্তি দিতে রোববার (৫ এপ্রিল) ভোটের মাঠে নামবেন ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তারা ভোটের আগে ও পরে মোট সাত দিন মাঠে থাকবেন।
শনিবার (৪ এপ্রিল) নির্বাচন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের পাঠানো নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ নির্বাচনী এলাকার শূন্য আসন ও শেরপুর-৩ নির্বাচনী এলাকার নির্বাচন ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে।
ভোটের চার দিন পূর্ব থেকে ভোটগ্রহণের দুই দিন পর পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯-এর আওতায় আচরণবিধি প্রতিপালনের জন্য প্রতি উপজেলায়/নির্বাচনী থানায় কমপক্ষে দুইজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, প্রত্যেক নির্বাচনী এলাকায় মোট ১০ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে সমন্বয় রেখে দায়িত্ব পালন করবেন। স্থানীয় চাহিদা, ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ও ওয়ার্ড বিন্যাস অনুযায়ী এই সংখ্যা বাড়ানো বা কমানো হতে পারে।
বগুড়া-৬ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন-
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে মো. আবিদুর রহমান, বিএনপি থেকে মো. রেজাউল করিম বাদশা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি থেকে মো. আল আলিম তালুকদার।
এ আসনটি শূন্য হয়, কারণ ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দুই আসনে জয়ী হয়ে ঢাকা-১৭ আসনটি রেখে বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেন।
শেরপুর-৩ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন-
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে মো. মাসুদুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলাম, বিএনপি থেকে মো. মাহমুদুল হক রুবেল এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) থেকে মো. মিজানুর রহমান।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এ আসনের একজন বৈধ প্রার্থী মৃত্যুবরণ করায় ভোট স্থগিত করা হয়। পরে নতুন তফসিল দিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
/টিটি


















