১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ২৮শে ভাদ্র, ১৪৩৩

বিদেশে জব্দ করা ইরানি সম্পদ ছাড়তে রাজি যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিবেদক
নিউজ এডিশন ডেস্ক
এপ্রিল ১১, ২০২৬ ৬:২৫ অপরাহ্ণ

ইরানের সঙ্গে সংলাপে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার শনিবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছান।

ইরানের একটি উচ্চপর্যায়ের সূত্র শনিবার জানিয়েছে, কাতারসহ বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকে আটক থাকা ইরানের সম্পদ ছাড়তে যুক্তরাষ্ট্র সম্মত হয়েছে।

ইসলামাবাদে চলমান আলোচনায় ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে এটিকে ‘গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির ইঙ্গিত’ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে তেহরান।

সংবেদনশীলতার কারণে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সূত্র রয়টার্সকে জানায়, এই সম্পদ ছাড়ের বিষয়টি সরাসরি হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করার সঙ্গে যুক্ত, যা আলোচনার একটি প্রধান ইস্যু হতে যাচ্ছে।

এই সম্পদের মোট পরিমাণ সম্পর্কে প্রথম সূত্রটি কিছু জানায়নি।

তবে আরেকটি ইরানি সূত্র দাবি করেছে, কাতারে রাখা ইরানের প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়তে যুক্তরাষ্ট্র সম্মত হয়েছে।
এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি।
আট বছর আগে জব্দ করা অর্থ
প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলারের এই অর্থ প্রথমে ২০১৮ সালে জব্দ করা হয়।

২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বন্দি বিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে তা ছাড় দেওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন আবারও এই অর্থ স্থগিত করে।

সেসময় মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছিলেন, ইরান এই অর্থ ভবিষ্যতে ব্যবহার করতে পারবে না এবং প্রয়োজনে পুরো অর্থ আবারও পুরোপুরি জব্দ করার অধিকার ওয়াশিংটনের রয়েছে।

অর্থের উৎস
এই অর্থ এসেছে দক্ষিণ কোরিয়ায় ইরানের তেল বিক্রি থেকে।

২০১৮ সালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে ইরানের ওপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যাংকগুলোতে এই অর্থ আটকে যায়। একই সঙ্গে তিনি বিশ্বশক্তিগুলোর সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক চুক্তিও বাতিল করেন।

বন্দি বিনিময় ও শর্ত
২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র–ইরান বন্দি বিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে এই অর্থ কাতারের ব্যাংকে স্থানান্তর করা হয়।

এই চুক্তির আওতায় ইরানে আটক পাঁচজন মার্কিন নাগরিককে মুক্তি দেওয়া হয়। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রে আটক পাঁচজন ইরানিকেও মুক্তি দেওয়া হয় এবং অর্থ ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়।

তখন যুক্তরাষ্ট্র জানায়, এই অর্থ কেবল মানবিক কাজে ব্যবহার করা যাবে। যেমন খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও কৃষিপণ্য কেনার জন্য এবং তা মার্কিন ট্রেজারির তত্ত্বাবধানে নির্দিষ্ট সরবরাহকারীদের মাধ্যমে ব্যয় করা হবে।

সূত্র: রয়টার্স

/টিটি

সর্বশেষ - লাইফস্টাইল

আপনার জন্য নির্বাচিত

নুসরাতকে এমপি নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ

শেরপুর সরকারি কলেজে বৃক্ষরোপণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ডিউটি ফাঁকি দিয়ে প্রাইভেট প্র্যাকটিস, চিকিৎসকের লাইসেন্স স্থগিত

এক্সকাভেটর নিয়ে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ঢোকার চেষ্টায় উত্তেজনা

ফোন ম্যালওয়্যারে আক্রান্ত, তা জানবেন যেভাবে

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন চট্টগ্রামে ১৭১ পদে নিয়োগ

তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য হাজার কোটি টাকার তহবিল, বিনা জামানতে ঋণ

ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে ‘গ্রুপ সোয়াপ’ করে শ্রীলঙ্কায় খেলতে চায় বাংলাদেশ

আহত যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের কাছে সালাহউদ্দিনকে ক্ষমা চাইতে হবে: নাহিদ