শেরপুর: শেরপুরে নিখোঁজের দুদিন পর ডোবা থেকে আব্দুল মোতালেব ওরফে হাজী মিয়া (৬২) নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৪ অক্টোবর) বিকেলে শহরের সাতানীপাড়া এলাকার হরিজন পল্লীর পিছনের একটি ডোবা থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত মোতালেব পার্শ্ববর্তী গোপালবাড়ী এলাকার মৃত আবেদ আলীর ছেলে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাত ১০ টার দিকে মোতালেব বাড়ী থেকে বেরিয়ে আর বাড়ী ফিরে আসেননি। অনেক খোঁজাখুজির পর তার কোন সন্ধান না পেয়ে শুক্রবার নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।

এদিকে শনিবার বিকেলে শহরের সাতানীপাড়া এলাকার হরিজন পল্লীর পেছনের ডোবায় একটি মরদেহ ভেসে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধারের পর সেটি মোতালেবের বলে শনাক্ত করে তার পরিবারের লোকজন। এরপর স্বজন ও এলাকাবাসীর শোকের মাতম শুরু হয়।
নিহতের ছেলে সাজিব বলেন, “আমার বাবাকে না পেয়ে থানায় জিডি করি। আজ বিকেলে আমার বাবার মরদেহ ডোবাতে পাওয়া যায়।” তিনি দাবি করেন, তার বাবাকে হত্যা করে ডোবাতে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুবায়দুল আলম বলেন, “নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মরদেহটিতে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে ময়নাদন্তের পর মোতালেবের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে এ ঘটনায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।”


















