১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ২৬শে ভাদ্র, ১৪৩৩

মোটরসাইকেলে দিনে দুই লিটার তেল, দুশ্চিন্তায় রাইড শেয়ারকারীরা

প্রতিবেদক
নিউজ এডিশন ডেস্ক
মার্চ ৭, ২০২৬ ৯:৩৯ পূর্বাহ্ণ

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এতে জ্বালানি সংকটের আতঙ্ক দূর করতে সারা দেশের ফিলিং স্টেশন থেকে কী পরিমাণ জ্বালানি সংগ্রহ করা যাবে তা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে নেওয়া যাবে ১০ লিটার তেল।

বিপিসি আরো বলেছে, স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল বা এসইউভি (যা জিপ নামে পরিচিত) ও মাইক্রোবাস দিনে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল নিতে পারবে।

পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারবে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও কনটেইনার ট্রাকের ক্ষেত্রে পরিমাণ হবে ২০০ থেকে ২২০ লিটার।

জ্বালানি তেল কেনার সময় রসিদ নিতে হবে এবং পরেরবার কেনার সময় সেই রসিদ দেখাতে হবে।

চালকেরা বলছেন, বিপিসি নির্ধারিত তেল দিয়ে সাধারণ গ্রাহকেরা চলতে পারবেন। তবে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল ও গাড়ির ক্ষেত্রে এই পরিমাণ তেল দিয়ে চলবে না।
বিপিসির এই নির্দেশনার পর ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালানো একজন তরুণ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দুই লিটার তেল দিয়ে তার মোটরসাইকেল ৭০ কিলোমিটারের মতো যায়। তিনি দিনে গড়ে ১৫০ কিলোমিটার মোটরসাইকেল চালান।

তা দিয়ে যে আয় হয়, সেটা দিয়ে সংসার চলে। তেল না দিলে চলবেন কিভাবে, সেই দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তিনি।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত গতকাল রাজধানীর পরীবাগে মেঘনা মডেল সার্ভিস সেন্টার ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করেন।

এসময় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমি সরকারের পক্ষ থেকে আপনাদের (গণমাধ্যম) মাধ্যমে জনগণকে আশ্বস্ত করতে চাই, জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে তাদের দুশ্চিন্তার মতো কোনো কারণ নেই, আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি।’

/কেকে

সর্বশেষ - লাইফস্টাইল