১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ২৭শে ভাদ্র, ১৪৩৩

গণভোট কমে যাওয়ার কারণ জানাল ইসি

প্রতিবেদক
নিউজ এডিশন ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ ৯:০৭ অপরাহ্ণ

ঢাকা: জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের ফল প্রকাশের ১২ দিন পর এসে গেজেট সংশোধন করল নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এতে ১১ লাখের মতো ভোট কমে যাওয়ার কারণও ব্যাখ্যা করল সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ইসি সচিব আখতার আহমেদ বিষয়টির ব্যাখ্যা দেন।

আগের প্রকাশিত ফল সংশোধন কেন করতে হলো, আর ভোট সংখ্যা ১১ লাখের মতো কেন কমে গেলো- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তখন করনিক ভুল ছিলো, ট্রান্সপজিশন এরর ছিলো।

যার কারণে এ ভুল হয়েছে। করনিক ভুলতো হতেই পারে। যেহেতু হাতে করা হয়। যেগুলো এদিক-ওদিক হয়েছে সেগুলো কারেকশন করে পরে যেগুলো মাঠ থেকে দিয়েছে, সে অনুযায়ী এগুলো ঠিক করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মূল যে প্রতিপাদ্য… ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’; ‘হ্যাঁ’ এর সংখ্যা বেশি। সেটাতে কোনো বিচ্যুতি হয়নি।

প্রথম গেজেটের হিসেব অনুযায়ী ‘হ্যাঁ’ ভোটের সংখ্যা ছিল ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০ জন, ‘না’ ভোটের সংখ্যা ছিল ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬। হ্যাঁ এবং না ভোট মিলে সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ২৩।

এর মধ্যে বাতিল হয়েছিল ৭৪ লাখ ২২ হাজার ৬৩৭ ভোট। বাতিল ভোট বাদ দিয়ে মোট বৈধ ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ২ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৬।
সংশোধিত গেজেটের হিসাব অনুযায়ী গণভোটে হ্যাঁ ভোটের সংখ্যা ৪ কোটি ৭২ লাখ ২৫ হাজার ৯৮০, না ভোটের সংখ্যা দাঁড়াবে ২ কোটি ১৯ লাখ ৬০ হাজার ২৩১ জনে। হ্যাঁ এবং না ভোট মিলে সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৬৬ লাখ ২১ হাজার ৪০৭। এর মধ্যে বাতিল হয়েছে ৭৪ লাখ ৩৫ হাজার ১৯৬ ভোট।

বাতিল ভোট বাদ দিয়ে মোট বৈধ ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৯১ লাখ ৮৬ হাজার ২১১।
আগের তুলনায় ৯ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮০টি ‘হ্যাঁ’ ভোট কমেছে। অন্যদিকে ‘না’ ভোটের সংখ্যা কমেছে ১ লাখ ১১ হাজার ৪৯৫টি। বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা আগের চেয়ে ১২ হাজার ৫৫৯টি বেড়েছে। সার্বিকভাবে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৬টি কমেছে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। ওইদিন ২৯৯ আসনে ভোট হয়৷ শেরপুর-৩ আসনে একজন প্রার্থী মারা যাওয়ায় ওই আসনে ভোট স্থগিত রেখেছে ইসি।

/কেকে

সর্বশেষ - লাইফস্টাইল