শুরুর ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ। এরপর দিনের প্রায় পুরোটা সময় শাসন করল পাকিস্তানি বোলারদের। মাঝে সফরকারী বোলাররা দুটি উইকেট পেলেও ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনটা নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ। এদিন বাংলাদেশের আলোকবর্তিকা হয়ে ছিলেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত আর মুমিনুল হক। শান্ত তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করেছেন। তবে মুমিনুল ফিরেছেন নার্ভাস নাইটিতে সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপ নিয়ে।
শুক্রবার (৮ মে) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম দিন শেষে ৮৫ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩০১ রান তুলেছে বাংলাদেশ। ১০৪ বলে ৪৮ রানে অপরাজিত আছেন মুশফিকুর রহিম আর ৩৫ বলে ৮ রানে লিটন দাস।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দিনের শুরুতেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। দলীয় ১৮ রানের সময় ফেরত যান ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। জীবন পেয়েও সেটি কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। ফিরেছেন ১৯ বলে ৮ রান করে।
কিছুক্ষণ পরই ফিরে যান আরেক ওপেনার সাদমান ইসলাম। হাসান আলীর করা প্রথম বলেই পরাস্ত হন তিনি, ক্যাচ দেন তৃতীয় স্লিপে থাকা ফিল্ডারের হাতে। ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৩০ বলে ১৩ রান।
সেখান থেকে প্রতিরোধ গড়ে তুলেন মুমিনুল আর শান্ত। অনায়াসেই কাটিয়ে দেন দিনের প্রথম সেশন। তৃতীয় উইকেটে দেড়শ ছাড়ানো জুটি গড়ে তুলেন এই দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার। দ্বিতীয় সেশনে এসে টেস্ট ক্যারিয়ারের নবম সেঞ্চুরি তুলে নেন শান্ত।
এরপর অবশ্য আর তার পথচলা লম্বা হয়নি শান্তর। মোহাম্মদ আব্বাসকে চার মেরে সেঞ্চুরি করার পরের বলেই এলবিডব্লিউয়ের শিকার হয়ে ফেরেন তিনি। এর আগে ১২ চার আর ২ ছক্কায় ১৩০ বলে ১০১ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
শান্ত ফিরলেও সেটি বাংলাদেশের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হতে দেননি মুমিনুল আর মুশফিকুর রহিম। চতুর্থ উইকেটে পঞ্চাশ ছাড়ানো জুটি গড়েন এই দুজন। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা মুমিনুল সেঞ্চুরির কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু ফিরেছেন আক্ষেপ নিয়ে, কাটা পড়েছেন নার্ভাস নাইনটিতে। মুমিনুলের ইনিংস থেমেছে ১০ চারের মারে ২০০ বলে ৯১ রানে।
পরে দিনের বাকি সময় অনায়াসেই কাটিয়ে দেন মুশফিক আর লিটন দাস। শেষ বিকেলে পঞ্চম উইকেটে ৭০ বলে ২৫ রানের অপরাজিত জুটি গড়েছেন এই দুই ব্যাটার।
/টিটি


















