১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ২৮শে ভাদ্র, ১৪৩৩

শ্রীবরদীতে টানা বৃষ্টিতে জনজীবন স্থবির

প্রতিবেদক
নিউজ এডিশন ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৫ ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ

রিয়াদ আহাম্মেদ, শ্রীবরদী (শেরপুর)
শেরপুরের শ্রীবরদীতে তিনদিনের টানা বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শহর থেকে গ্রাম সব জায়গায় দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা, রাস্তাঘাট কর্দমাক্ত, আর মানুষ বন্দি হয়ে পড়েছে চার দেয়ালের ভিতর। তবে সব থেকে বেশি বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে কর্মজীবী মানুষেরা।

শনিবার (১৩সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হয়ে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। সকাল থেকে আকাশ এমনভাবে কালো হয়, যেন চারপাশে অন্ধকার নেমে আসে। দিনের আলো হারিয়ে গেছে মেঘ আর বৃষ্টির দাপটে। সারাদিনে সূর্যের দেখা মেলে না৷

বৃষ্টির সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর। এছাড়া নিচু জমিতে কৃষকের ধান ও সবজি ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। শহর ও গ্রামের অনেক রাস্তাই এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কোথাও হাঁটুপানি, কোথাও কাদা আর ভাঙা রাস্তা।

শ্রীবরদী শহরের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মো. আকরাম হোসেন জানান, দুইদিনের টানা বৃষ্টিতে মানুষ ঘর থেকেই বের হতে পারছে না। মানুষ যদি ঘর থেকে বাইরে বের না হতে পারে তাহলে আমাদের ব্যবসা কি করে চলবে? বৃষ্টির এ কয়দিন ব্যবসা খুব মন্দা যাচ্ছে। ক্রেতারা দোকানে আসতে পারছেন না, ফলে বেচাকেনা প্রায় বন্ধ।

বৃষ্টিতে ভিজে কাজ করতে আসা নির্মাণ শ্রমিক আকাশ মিয়া বলেন, আমরা সরকারি ড্রেনের কাজ করছি। বৃষ্টির কারণে কাজ করতে খুব সমস্যা হচ্ছে। সারাদিন বৃষ্টিতে ভিজে কাজ করতে হয়। কাজ না করলে আমাদের সংসার চলে না।

বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে ব্যাটারি চালিত ভ্যান নিয়ে বের হওয়া ভ্যান চালক জসিম মিয়া বলেন, বৃষ্টির মধ্যে মানুষ রাস্তায় নেই বললেই চলে। বৃষ্টির মধ্যে বাধ্য হয়েই ভ্যান নিয়ে বাইরে বের হতে হয়। কারণ আমরা দিন আনি, দিন খাই।

স্কুলছাত্র মো. ইমরান বলেন, টানা বৃষ্টির ফলে আমাদের স্কুলে যেতে সমস্যা হয়। রাস্তায় সময়মতো যানবাহন পাওয়া যায় না। ফলে ছাতা মাথায় দিয়ে বৃষ্টিতে ভিজেই স্কুলে যাই। এতে আমাদের ঠান্ডা-জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

এদিকে স্কুল শিক্ষক মো.দিদার বলেন, টানা বৃষ্টির ফলে স্কুলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম থাকে। অনেক ছাত্র -ছাত্রীরা বৃষ্টিতে ভিজে স্কুলে এসে ক্লাস করে । পরবর্তীতে তারা সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত হয়ে যায়। তাই শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ব্যাঘাত ঘটে।

শ্রীবরদী উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মাহমুদুল হাসান আকন্দ বলেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে টানা ৭দিনের ভারী বৃষ্টিপাত বিষয়ে আমরা অবগত ও সতর্কাবস্থায় রয়েছি। ইতোমধ্যে আমরা ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা করেছি এবং কৃষকদের মাঝে বার্তাটি পৌঁছে দিয়েছি। সেই সাথে এই সময়ে কৃষকদের সবজি বীজ লাগাতে নিষেধ করেছি।

তিনি আরও বলেন, বৃষ্টিপাতের ফলে কৃষকদের যদি কোনো ক্ষতি হয় সেটাও আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করব।

সর্বশেষ - লাইফস্টাইল

আপনার জন্য নির্বাচিত

হোটেল শাহজাহানের মালিক শাহজাহান মিয়া মারা গেছেন

চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়ে দুর্দান্ত কামব্যাক কোরিয়ার

লেবাননে ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ১৩

৫০তম বিসিএসে আবেদন শুরু, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

বিএনপি ফ্যাসিবাদের দিকে যাত্রা শুরু করেছে: জামায়াত আমির

সরকারি আলিয়া মাদরাসায় গভীর রাত পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষ

গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় ককটেল বিস্ফোরণ

নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে: প্রধান উপদেষ্টা

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়াল

বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান